শ্রীমা বলতেন যে, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ অনেক সময়ই অশরীরী আত্মার উপস্থিতি দেখতে পেতেন একবার
ঠাকুর স্বামী
ব্রহ্মানন্দ মহারাজকে নিয়ে বেণী পালের
বাগানে গিয়েছিলেন । সেখানে ঠাকুর
যখন বাগানে
বেড়াচ্ছিলেন, তখন
একটি ভূত
এসে তাঁকে
বলে, “তুমি কেন এখানে এসেছ?
জ্বলে গেলুম
আমরা। তোমার
হাওয়া আমাদের
সহ্য হচ্ছে
না, তুমি
চলে যাও,
চলে যাও”। ঠাকুরের
পবিত্র উপস্থিতি বা আধ্যাত্মিক তেজ সেই অতৃপ্ত
আত্মার কাছে
অসহ্য বোধ
হচ্ছিল। ঠাকুর
তখন মৃদু
হেসে কাউকেও
কিছু না
বলে সেই
রাতেই রাত
১টার সময়
গাড়ি ডেকে
দক্ষিণেশ্বরে ফিরে
আসেন। পরে
স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজ
এই কথা
শুনে অত্যন্ত
ভয় পেয়েছিলেন। ঠাকুর তখন কৌতুক করে বলেছিলেন যে, তিনি যদি আগেই ভূতের কথা বলতেন, তবে ভয়ে রাখালের
"দাঁত কপাটি লেগে যেত" শ্রীশ্রীঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের পবিত্র সান্নিধ্য এবং তাঁর দিব্য দর্শনের মাধ্যমেই আবার অশরীরী আত্মা বা ভূতেরা মুক্তি লাভ করত। মা সারদা দেবীর বর্ণনা অনুযায়ী ঠাকুরের এই মুক্তিপ্রদানের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত অলৌকিক:মা বলতেন
যে, ঠাকুরের
পবিত্র বাতাসের সংস্পর্শে আসাই ছিল সেই সব অতৃপ্ত আত্মাদের
জন্য পরম
প্রাপ্তি ।
তাঁর দর্শনের
প্রভাবেই তারা
অশরীরী দশা
থেকে মুক্তি
পেয়ে যেত
। ঠাকুরের
আধ্যাত্মিক তেজ
এতটাই প্রবল
ছিল যে,
অনেক সময়
অতৃপ্ত আত্মারা
তাঁর উপস্থিতি সহ্য
করতে পারত
না। ঠাকুরের
এই পবিত্র
জ্যোতি বা
তেজের সংস্পর্শে আসাই
তাদের মুক্তির
কারণ হতো।
মা বিশ্বাস
করতেন যে,
ঠাকুরের পবিত্র
দৃষ্টি বা
দর্শনের ফলেই
সেই সব
অতৃপ্ত আত্মার
সকল জাগতিক
তৃষ্ণা মিটে
যেত এবং
তারা পরম
গতি লাভ
করত