Monday, May 4, 2015

শ্রীশ্রীমাকে কে বুঝতে পারে? তোমরা সীতা,সাবিত্রী,বিষ্ণুপ্রিয়া, শ্রীমতী রাধারাণী এঁদের কথা শুনেছ। মা যে এঁদের চেয়ে কত উঁচুতে উঠে বসে আছেন। ঐশ্বর্যের লেশ নেই। ঠাকুরের বরং বিদ্যার ঐশ্বর্য ছিল- তাঁর ভাবসমাধি এ সব আমরা জন্মে দেখেছি কত দেখেছি। কিন্তু মার বিদ্যার ঐশ্বর্য পর্যন্ত লুপ্ত। এ কি মহাশক্তি! জয় মা! জয় মা!! জয় শক্তিময়ী মা! দেখছ না কত লোক ছুটে আসছে যে বিষ নিজেরা হজম করতে পারছিনা- সব মায়ের নিকট চালান দিচ্ছি- মা সব কোলে তুলে নিচ্ছেন- অনন্ত শক্তি! অপার করুণা; জয় মা! আমাদের কথা কি বলছিস- স্বয়ং ঠাকুর কে ও এটি করতে দেখিনি। তিনি ও কত বাজাই বাছাই করে লোক নিতেন। আর এখানে- মার এখানে কি দেখছিস? অদ্ভুত!অদ্ভুত! সকল কে আশ্রয় দিচ্ছেন...আর সব হজম হয়ে যাচ্ছে। মা!মা!জয় মা!! ...স্বামী প্রেমানন্দ

(স্বামী প্রেমানন্দের পত্র হইতে)  

ঠাকুরের ফটো সম্বন্ধে স্বামী বিজ্ঞানানন্দ



“ঠাকুর একজন অসাধারণ ও অদ্ভুত লোক। তাঁর ওই ছবি ষট্-চক্রভেদের মূর্তি। তাঁর ঐ ভাবঘন মূর্তির দিকে তাকালে মনে হয়-তিনি সব চক্র গুলি ভেদ করে আনন্দ সাগরে ডুবে রয়েছেন।।আমি ঐ ছবিতে না না জিনিস দেখতে পাই, তাই বলি...। তাঁকে দেখেছি,তাই বলছি। তাঁর সর্বাঙ্গে আধ্যাত্মিক শক্তির একটা তরঙ্গ সদা সবদাই খেলা করত...। কি অসীম ক্ষমতার আধার তিনি ছিলেন। সূর্যলোক, চন্দ্রলোক, নক্ষত্রলোক, ব্রহ্মলোক- যেখানে যখন ইচ্ছা তিনি বিচরন করতেন। একবার ঠাকুর নিজের ফটো দেখিয়ে আমাকে বলেন- দেখ এর ভিতরে আমি রয়েছি, একে ধ্যান করবি। ঠাকুরের এ ছবিতে সব আছে”।
(সৎপ্রসঙ্গে স্বামী বিজ্ঞানানন্দ,পৃঃ ১০৭-০৯)

Friday, May 1, 2015

শ্রী রামকৃষ্ণের ভাবাদর্শ ও সাম্রদায়িকতা

বিভিন্ন বইতে এবং বিভিন্ন ব্যক্তির রচিত শ্রী রামকৃষ্ণের চরিত্র অবলোকন করলে আমরা দেখতে পাই যে শ্রী রামকৃষ্ণ ছিলেন অসাম্প্রদায়িক এবং তাহাকে সকল ধার্মিক মতের ও পথের সঙ্গমস্থল হিসেবে বিবেচিত করা হয়েছে। তিনি সাম্প্রদায়িকতা পছন্দ করতেন না। তিনি ছোট্ট একটি উদাহরন দিয়ে দিয়ে বলেছিলেন যে অন্ধেরা হাতি ছুঁয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা দিয়ে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন মত প্রকাশ করে, কিন্তু যাদের চোখ আছে তারাই সম্পূর্ণ উপলব্ধি করতে পারে, তারাই পুরো হাতি টাকে দেখে।এই গল্প টি আশা করি সকল পাঠকের জানা আছে। ঠাকুর নিজেকে কখনই অবতার বলে পরিচয় দেন নি, কেন না প্রতি অবতার কে ঘিরে গরে উঠে সম্প্রদায়, যার থেকে তৈরি হয় সাম্প্রদায়িকতার, যা অতি ভয়ঙ্কর ও সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। আমরা কথামৃতে দেখতে পাই সেই সাম্প্রদায়িকতার উল্লেখ করে ঠাকুর বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও কেশব চন্দ্র সেন কে বলেছিলেনঃ-“তোমাদের ঝগড়াবিবাদ- যেমন শিব ও রামের যুদ্ধ। রামের গুরু শিব। যুদ্ধ ও হলো। দুজনে ভাব ও হলো। কিন্তু শিব ভুতপ্রেত গুলো ও রামের বানরগুলো অদের ঝগড়া কিচকিচি আর মেটে না”। এ অতীব সত্যি কথা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কথা ছেড়েই দিলাম আজ ফেইস বুক ও বিভিন্ন ব্লগ ঘেঁটে দেখলে আমরা ঠাকুর মা স্বামীজী কে নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপের সন্ধান পাই, এবং প্রত্যেকে নিজেদের ভাব কেই শ্রেষ্ঠ বলে পোষণ করছেন, আর সাথে অন্যদের ভাবের করছেন সমালোচনা, যার পরিনাম হতে চলেছে অতি ভয়ঙ্কর, সৃষ্টি হচ্ছে মতানৈক্যের,মন কষাকষি, সৃষ্টি হচ্ছে দুরত্বের। আমরা যেন মুল ভাব থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। ঠাকুর, মা,স্বামিজির আদর্শ প্রচার ছেড়ে আমরা নিজেদের ব্যক্তিগত প্রচার নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছি।  
স্বামীজী বলেছিলেন যে “যারা ঠাকুরের প্রকৃত ভক্ত- সে যেই হোক না কেন তাদের ভিতর কোন দলাদলি নেই-থাকতেই পারে না। প্রত্যেক ভক্ত ঠাকুরকে আপন-আপন ভাবের রঙে রাঙিয়ে নিজেদের ভাবে দেখতে ও বুঝতে চেষ্টা করে যার ফলে সৃষ্টি হয় ভাবের সংঘাত, মন কষা কষি,এবং তৈরি হয় বিভিন্ন দলের। ঠাকুর যেন মহা-সূর্য, আর আমরা যেন প্রত্যেকে এক একরকম রঙ্গিল কাচ চোখে দিয়ে সেই এক সূর্যকে নানা রঙ- বিশিষ্ট বলে দেখছি”।
ঠাকুরের অস্থি কাঁধে করে এনে যেদিন স্বামীজী বেলুরমথে স্থাপন করেন সে দিন শরতবাবু ভবিষ্যতে শ্রীরামকৃষ্ণের নামে সম্প্রদায় গড়ে উঠবে কিনা জানতে চাইলে স্বামীজী বলেছেলেন যে “হ্যাঁ কালে সম্প্রদায় হবেই। এই দেখ না, চৈতন্যদেবের এখন দু-তিনশ সম্প্রদায় হয়েছে; যীশুর হাজার হাজার মত বেরিয়েছে। কিন্তু  ঐসকল সম্প্রদায় চৈতন্যদেব ও যীশুকেই মানছে। আমাদের এই যে মঠ হচ্ছে, তাতে সকল মতের সকল ভাবের কেন্দ্রস্থান হবে; এখান থেকে যে মহা সমন্বয়ের উদ্ভিন্ন ছটা বেরুবে, তাতে জগত প্লাবিত হয়ে যাবে”।
স্বামীজী আরেকবার আর্য সমাজের নেতা  লালা হংসরাজকে বলেছিলেন “দেখুন আমার হাতে এমন শক্তি আছে যাহার দ্বারা আমি জগতের একতৃতীয়াংশ নরনারীকে এক পতাকার নিচে আনিয়া দাড় করাইতে পারি। কিন্তু শক্তি থাকা সত্ত্বেও তাহা আমার করিবার ইচ্ছা নাই কারন তাহা হইলে আমার গুরুদেব- প্রবর্তিত ‘যত মত তত পথ’—এই মহাসমন্বয় বাক্য খণ্ডিত হইয়া ভারতে একটি নুতন সম্প্রদায় গড়িয়া উঠিবে”।

আমরা যদি সত্যি সত্যি স্বামীজী কে শ্রদ্ধা করি ভালবাসি তাহলে স্বামীজীর নির্দেশ আমাদের অবশ্যই মানা কর্তব্য। স্বামীজী বলেছিলেনঃ “ভবিষ্যতে যে সকল ধর্ম আসিতে পারে তাহাদের জন্য আমরা হৃদয় উন্মক্ত রাখিব। ঈশ্বরের বিধিশাস্ত্র কি শেষ হইয়া গিয়াছে, অথবা উহা চিরকালব্যাপী অভিব্যক্তিরূপে আজও আত্ম-প্রকাশ করিয়া চলিয়াছে? জগতের আধ্যাত্মিক অভিব্যক্তিসমূহের এই যে লিপি, ইহা এক অদ্ভুত পুস্তক। বাইবেল,বেদ ও কোরান এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ সমূহ যেন ঐ পুস্তকের এক একখানি পত্র এবং উহার অসংখ্য পত্র এখনো অপ্রকাশিত রহিয়াছে। সেই সব অভিব্যক্তির জন্য আমি এ পুস্তক খুলিয়াই রাখিব। আমরা বর্তমানে দাঁড়াইয়া ভবিষ্যতের অনন্ত ভাব রাশি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকিব”। 

Friday, March 6, 2015

শ্রী রামকৃষ্ণ ও মা সারদা এক ও অভিন্ন

একজন সন্ন্যাসী-সন্তান আক্ষেপ করে বলেছিলেন যে তিনি শ্রীমার দর্শনে ধন্য হলেও শ্রী শ্রী ঠাকুরকে দেখার সৌভাগ্য লাভ করেননি। তখন শ্রীমা সঙ্গে সঙ্গে তাঁর নিজের শরীর দেখিয়ে বলেছিলেন, "এর ভিতর তিনি সুক্ষ্ম দেহে আছেন। ঠাকুর নিজ মুখে বলেছেন, 'আমি তোমার ভিতর সুক্ষ্ম-দেহে থাকব।' " অন্য একজন সন্ন্যাসী ভক্ত কেও শ্রীমা স্পষ্ট করে বলেছিলেন "আমরা (তিনি ও ঠাকুর) কি আলাদা?"

Friday, February 27, 2015

One day the pet cat was lying on one side of the courtyard. A devotee was caressing it with her foot. Gradually she placed her foot on its head. At this the Mother said to her, “Oh my child, what are you doing? The head is the place of the Guru. One should not touch the head with the foot. Salute the cat.
A beggar arrived and began to cry for alms. The monks were annoyed and scolded him, “Go away, don’t bother us now.” Mother heard this and said, “Just look at that! They have sent him away, just because they would have to leave their own work to bring him alms. Even this little thing they couldn’t do! How lazy of them! They couldn’t give a handful of alms to a beggar! Is it right to deprive a man of his just dues? Look at this vegetable peel — even this is the cow’s due; one must place it before the cow.”

MESSAGES AND STORIES OF SWAMI VIVEKANANDA

Speech delivered by Swami Vivekananda at the World's Parliament of Religions, Chicago 15th September, 1893
I will tell you a little story. You have heard the eloquent speaker who has just finished say, "Let us cease from abusing each other," and he was very sorry that there should be always so much variance.
But I think I should tell you a story which would illustrate the cause of this variance. A frog lived in a well. It had lived there for a long time. It was born there and brought up there, and yet was a little, small frog. Of course the evolutionists were not there then to tell us whether the frog lost its eyes or not, but, for our story's sake, we must take it for granted that it had its eyes, and that it every day cleansed the water of all the worms and bacilli that lived in it with an energy that would do credit to our modern bacteriologists. In this way it went on and became a little sleek and fat. Well, one day another frog that lived in the sea came and fell into the well.
"Where are you from?"
"I am from the sea."
"The sea! How big is that? Is it as big as my well?" and he took a leap from one side of the well to the other.
"My friend," said the frog of the sea, "how do you compare the sea with your little well?”
Then the frog took another leap and asked, "Is your sea so big?"
"What nonsense you speak, to compare the sea with your well!"
"Well, then," said the frog of the well, "nothing can be bigger than my well; there can be nothing bigger than this; this fellow is a liar, so turn him out."
That has been the difficulty all the while.
I am a Hindu. I am sitting in my own little well and thinking that the whole world is my little well. The Christian sits in his little well and thinks the whole world is his well. The Mohammedan sits in his little well and thinks that is the whole world. I have to thank you of America for the great attempt you are making to break down the barriers of this little world of ours, and hope that, in the future, the Lord will help you to accomplish your purpose.